বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি পর্ব ১ এবং ২

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

Total Views: 393

সব ধরনের  চাকরির  প্রস্তুতি ও অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার মেধা যাচাই করার জন্যে আছে বিগত বছরের (bcs|bank|gov.job|MBA|NTRC|PSC|Pimary) এর ১০০০+ পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর। 
ভিজিট করুন
লিঙ্ক:  http://bdalljob.com/test-center

 

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

By raihan

-  Sat Nov 16, 2019 12:18 pm#2015

৪১তম বিসিএস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি

১. বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি: ০৬

- বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর ভাষা ছিল - অস্ট্রিক।
- বাংলাকে জান্নাতাবাদ নামে অভিহিত করেন - সম্রাট হুমায়ন।
- বাংলায় কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন - বল্লাল সেন।
- মোগল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেন - বাবর (বাবরনামা)।
- হাজী মোহাম্মদ মহসীনের বাড়ি - হুগলী জেলায়।
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন - ইলা মিত্র।
- বাংলা সাল গণনা শুরু, পানিপথের ২য় যুদ্ধ ও সম্রাট আকবরের সিংহাসন লাভ - ১৫৫৬ সালে।
- লর্ড রিপন কর্তৃক গঠিত শিক্ষা কমিশনের নাম - হান্টার কমিশন।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিযুক্ত হন - ৯ মার্চ ১৯৫৬।
- পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলা থেকে পাকিস্তানের একমাত্র গভর্নর জেনারেল ছিলেন - খাজা নাজিমুদ্দীন।

https://www.bdchakri.com/viewtopic.php?f=31&t=1515#p2015

 

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলিঃ পর্ব ০১

By rekha

-  Sat Apr 04, 2020 5:27 pm#2491

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে জাতীয় পতাকা নির্ধারণ করা হয়। তখন মধ্যের লাল বৃত্তে বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। মানচিত্রখচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার ছিলেন শিবনারায়ণ দাশ। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় এক ছাত্রসভায় তৎকালীন ছাত্রনেতা ডাকসু ভিপি আ স ম আবদুর রব বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন। এজন্য ২ মার্চ ‘জাতীয় পতাকা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে এম হোসেন আলী বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। এটি কোনো বিদেশি মিশনে সর্বপ্রথম বাংলাদেশি পতাকা উত্তোলন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবিধি প্রণীত হয়। এ সময় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা থেকে মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলা হয়। পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধের অনুপাত ৫:৩:১। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার সঙ্গে জাপানের পতাকার মিল আছে।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকা শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত। প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই আই কান এটির মূল স্থপতি। পূর্ব বাংলার আইনসভা হিসেবে বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলটি ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের প্রথম ও দ্বিতীয় সংসদের অধিবেশনগুলো অনুষ্ঠিত হয় পুরনো সংসদ ভবনে, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৯৬১ সালে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্মাণকাজ সমাপ্ত হওয়ার পর ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার সংসদ ভবনের উদ্বোধন করেন। ১৯৮৯ সালে জাতীয় সংসদ ভবন স্থাপত্য উৎকর্ষতার জন্য আগা গান পুরস্কার লাভ করে। সংসদ ভবন এলাকার আয়তন ২১৫ একর। সংসদ ভবনটি ৯ তলাবিশিষ্ট। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এককক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ ভবনের মূল ভবনের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১১৭ ফুট। জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন লেকটি ’ক্রিসেন্ট লেক’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক শাপলা ফুল। এ পর্যন্ত দুইজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান জাতীয় সংসদে বক্তৃতা করেন। প্রথম জন হলেন যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোশেফ মার্শাল টিটো এবং অন্যজন হলেন ভারতের প্রেসিডেন্ট ভি ভি গিরি। এরা উভয়ই ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের পার্লামেন্টে বক্তৃতা করেন।

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক উভয় পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা। তার মাথার ওপর পাট গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা, যার উভয় পাশে দুটো করে মোট চারটি তারকা। চারটি তারকা সংবিধানের চারটি মূলনীতি নির্দেশ করে। বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের রূপকার হলো কামরুল হাসান।

রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম রয়েছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র। বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ‘সরকার’ এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা। আর এই মনোগ্রামের ডিজাইন করেছেনে এএনএ সাহা।

https://www.bdchakri.com/viewtopic.php?f=31&t=1987#p2491

 

 

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলিঃ পর্ব ০২

By rekha

-  Sun Apr 05, 2020 10:37 am#2493

বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ
জাতীয় স্মৃতিসৌধ (অন্য নাম সম্মিলিত প্রয়াস) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মারক স্থাপনা। এটি ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে সাভারের নবীনগরে অবস্থিত। এর স্থপতি হলেন সৈয়দ মাইনুল হোসেন। স্মৃতিসৌধটির উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৬.৫ মিটার)। সৌধটি সাতটি ত্রিভুজাকৃতি দেয়াল নিয়ে গঠিত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৬-এর ইসলামি শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ- এই সাতটি ঘটনাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা হিসেবে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে। ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতিসৌধটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। ১৯৮২ সালে এর উদ্বোধন করা হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত
’আমার সোনার বাংলা, . ‘। এ গানের রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গানটি রচিত হয়েছিল। আমার সোনার বাংলা … গানটি রচিত হয়েছিল গগন হরকরার ‘আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে’ বাউল গানটির সুরের অনুকরণে। ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়। গানটি রবীন্দ্রনাথের ‘গীতবিতান’ গ্রন্থের স্বরবিতান অংশভুক্ত। চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান ১৯৭০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তার বিখ্যাত ‘জীবন থেকে নেওয়া’ কাহিনিচিত্রে এই গানের সর্বপ্রথম চলচ্চিত্রায়ন করেন। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ তারিখে পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার ইশতেহারে এই গানকে জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৭২ সারে ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর বাংলাদেশের সংবিধানে এই গানকে জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দেওয়া হয়। এটি ছিল মূলত একটি কবিতা। ২৫ চরণবিশিষ্ট এই কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম চার চরণ বাজানো হয়। গানটির ইংরেজি অনুবাদ করেন সৈয়দ আলী আহসান। ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতাও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বাংলাদেশের রণসংগীত
’চল্ চল্ চল্, ঊর্ধ্বগগনে বাজে মাদল’ গানটি বাংলাদেশের রণসংগীত। গানটির গীতিকার, সুরকার এবং শিল্পী হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুর ইসলাম।। গানটি ‘সন্ধ্যা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত। ‘নতুনের গান’ শিরোনামে ঢাকার ‘শিখা’ পত্রিকায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। উৎসব অনুষ্ঠানে রণসংগীতের ২১ চরণ বাজানো হয়।

• বাংলাদেশের জাতীয় ভাষা বাংলা।
• বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
• বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েল। দোয়েলের বৈজ্ঞানিক নাম কপসিকাস সলারিস।
• বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
• বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ। ইলিশের বৈজ্ঞানিক নাম হিলসা ইলিশা।
• বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা। শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম নিমফিয়া নওসিলি।

 


• বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠালের বৈজ্ঞানিক নাম এট্রোকার্পাস ইন্টিগ্রিফলিয়া।
• বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ আম গাছ। আমগাছের বৈজ্ঞানিক নাম ম্যাগনিফেরা ইন্ডিকা।
• বাংলাদেশের জাতীয় ধর্ম ইসলাম।
• বাংলাদেশের জাতীয় বন সুন্দর বন।
• বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম। এটি ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত।
• বাংলাদেশের জাতীয় স্টেডিয়াম ঢাকার গুলিস্তানে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম।
• বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার ঢাকার আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত। এর নামও জাতীয় গ্রন্থাগার।
• বাংলাদেশের জাতীয় পার্কের নাম হলো ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক। এটি গাজীপুরে অবস্থিত।
• বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘর ঢাকার শাহাবাগে অবস্থিত। এর নাম ‘জাতীয় জাদুঘর’।
• বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি।

https://www.bdchakri.com/viewtopic.php?f=31&t=1989#p2493

 

সংগৃহিত 

 

 

 

  •  

আবেদনের শেষ তারিখঃ na

লোকেশনঃ বাংলাদেশ

Source: online