সব চাকরির প্রস্তুতির জন্য বাংলা ব্যাকারণ এর সমাস নিয়ে আলোচনা

চাকরির প্রস্তুতিঃ বাংলা সাহিত্য

Total Views: 1405

সব ধরনের  চাকরির  প্রস্তুতি ও অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার মেধা যাচাই করার জন্যে আছে বিগত বছরের (bcs|bank|gov.job|MBA|NTRC|PSC|Primary) এর ১০০০+ পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর। 
ভিজিট করুন
লিঙ্ক:  http://bdalljob.com/test-center

সমাস নিয়ে আলোচনা: পর্ব ০১

সংঙ্গা: সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিল বা একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
-সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ
-সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য/ব্যাসবাক্য/বিগ্রহবাক্য
-সমস্তপদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে ।
-সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশকে বলা হয় পূর্ব পদ
-পরবর্তী অংশকে বলা হয় উত্তর পদ বা পরপদ
উদাহরণ: সিংহ চিহিৃত আসন=সিংহাসন
সমস্ত পদ: সিংহাসন
ব্যাসবাক্য: সিংহ চিহিৃত আসন
সমস্যমান পদ: সিংহ, আসন
পূর্বপদ: সিংহ
পরপদ/উত্তরপদ: আসন
বৈশিষ্ট:
-বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করা
-দুই বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ সৃষ্টি
শ্রেণিবিভাগ:
সাধারণভাবে:
প্রধান সমাস: ছয় প্রকার।
১.দ্বন্দ্ব ২. কর্মধারায় ৩.তৎপুরুষ ৪.বহুব্রীহি ৫.দ্বিগু ৬.অব্যয়ীভাব
অপ্রধান সমাস: প্রাদি, নিত্য, অলুক ইত্যাদি
বৈশিষ্টের বিচারে চার প্রকার –
অব্যয়ীভাব সমাস: পূর্বপদের অর্থ প্রধান
তৎপুরুষ সমাস: পরপদের অর্থ প্রধান
দ্বন্দ্ব সমাস: উভয়পদের অর্থ সমান
বহুব্রীহি সমাস: কোন পদের অর্থ প্রধান না হয়ে তৃতীয় কোনো অর্থ সৃষ্টি করে । এখানে, কর্মধারায় ও দ্বিগু সমাসকে তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে ধরা হয় ।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.সমাস শব্দের অর্থ হলো-
-সংক্ষেপণ
২.সমাস ভাষাকে –
-সংক্ষেপ করে
৩.পরস্পর অন্বয়যুক্ত দুই বা ততোধিক পদকে এক পদে পরিণত করার নাম-
-সমাস
৪.সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম কি?
-সমস্ত পদ
৫.যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটিকে কি বলে?
-সমস্যমান পদ
৬.ব্যাসবাক্যের অপর নাম কি?
-বিগ্রহবাক্য
৭.সমাস কত প্রকার?
-৬ প্রকার
৮.সমাসের রীতি কোন ভাষা থেকে আগত?
-সংস্কৃত

সমাস নিয়ে আলোচনা: পর্ব ০২

দ্বন্দ্ব সমাস
যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের প্রধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে । পূর্বপদ ও পরপদের সম্বন্ধ বোঝানোর জন্য ব্যাস বাক্যে এবং , ও , আর এ তিনটি অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়।
জমা ও খরচ= জমাখরচ
ভাই ও বোন= ভাই-বোন
কাগজ ও কলম= কাগজ-কলম
জায়া ও পতি= দম্পতি
অহি ও নকুল= অহিনকুল
মাতা ও পিতা= মাতাপিতা
চা ও বিস্কুট= চা-বিস্কুট
যাকে ও তাকে= যাকে তাকে
দা ও কুমড়া= দা-কুমড়া
আমি, তুমি ও সে= আমরা
১.মিলনাত্মক দ্বন্দ্ব: ভাই-বোন, মা-বাপ, মাসি-পিসি, ছেলে-মেয়ে, মশা-মাছি ইত্যাদি
২.বিরোধাত্মক দ্বন্দ্ব: দা-কুমড়া, ছোট-বড়, ভাল-মন্দ, আদা-জল, জমা-খরচ, হেস্ত-নেস্ত, অহি-নকূল, সুরাসুর, দেব-দানব, বিষামৃত ইত্যাদি।
৩.সমার্থক দ্বন্দ্ব: হাট-বাজার, কাগজ-পত্র, রাজা-বাদশা, রাজা-উজির ইত্যাদি
৪.অলুক দ্বন্দ্ব: দুধে-ভাতে, যাকে-তাকে, মায়ে-ঝিয়ে, যাকে-তাকে, বাঘে-মোষে, ভেবে-চিন্তে, ঘরে ও বাইরে, হাতে-কলমে ইত্যাদি
৫.বহুপদী দ্বন্দ্ব: আগ-পাছ-তলা, স্বর্গ-মর্ত্য-পাতাল ইত্যাদি
৬.একশেষ দ্বন্দ্ব: আমরা
বিভিন্ন প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.’জমাখরচ’ সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
-জমা ও খরচ
২.কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?
-ভাই-বোন
৩.’জায়া ও পতি’ সমাস করলে কি হয়?
-দম্পতি
৪.দম্পতি কোন সমাসের উদাহরণ/
-দ্বন্দ্ব
৫.নিচের কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
-অহিনকুল
৬.কোনটি দ্বন্দ্ব সমাস?
-হাট বাজার
৭.’ছেলে-মেয়ে’ কোন প্রকার দ্বন্দ্ব সমাস?
-সাধারণ দ্বন্দ্ব

সমাস নিয়ে আলোচনা পর্ব ০৩

কর্মধারয় সমাস
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস পরপদের অর্থই প্রধানরুপে প্রতীয়মান হয় তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। কর্মধারয় সমাস সাধারনত যে, যিনি, যেটি ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যে ব্যবহৃত হয় । যথা:
নীল যে আকাশ=নীলাকাশ
যে চালাক সেই চতুর=চালাক-চতুর
সুন্দরী যে লতা=সুন্দরলতা
মহৎ যে জ্ঞান=মহাজ্ঞান
মহতী যে কীর্তি=মহাকীর্তি
কু যে অর্থ=কদর্থ
নীল যে অম্বর=নীলাম্বর
যিনি জজ তিনিই সাহেব=জজ সাহেব
আগে ধোয়া পড়ে মোছা্=ধোয়া মোছা
মহান যে নবী=মহানবী
মহান যে রাজা=মহারাজ
কু যে আচার=কদাচার
প্রকারভেদ: কর্মধারয় সমাস কয়েক প্রকার:
ক.মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
খ.উপমান কর্মধারয়
গ.উপমিত কর্মধারয়
ঘ.রূপক কর্মধারয়
ক.মধ্যপদলোপী কর্মধারয়: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে । যথা:
সিংহ চিহিৃত আসন=সিংহাসন
হাসিমাখা মুখ=হাসিমুখ
পল মিশ্রিত অন্ন=পলান্ন
প্রীতি উপলক্ষে ভোজ=প্রীতি ভোজ
গোবরে নির্মিত গণেশ=গোবর গণেশ
সাহিত্য বিষয়ক সভা=সাহিত্য সভা
স্মৃতি রক্ষার্থে সৌধ=স্মৃতিসৌধ
মৌ-সঞ্চয়কারী মাছি=মৌমাছি
বৌ পরিবেশ করা ভাত=বৌভাত
একের অধিক দশ=একাদশ
উপমেয় -উপমান: উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ্য বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয় , পরোক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমান। উপমান ও উপমেয়ের একটি সাধারণ গুণ থাকবে। যেমন-
ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ=ভ্রমরকৃষ্ণ কেশ
উপমান=ভ্রমর
উপমেয়=কেশ
সাধারণ গুণ=কৃষ্ণাত্ব
খ.উপমান কর্মধারয়: সাধারণ গুণবাচক পদের সাথে উপমান বাচক পদের যে সমাস হয় তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। যথা:
তুষারের ন্যায় শুভ্র=তুষারশুভ্র (এখানে, উপমান-তুষার, সাধারণ গুণ-শুভ্র)
অরুণের ন্যায় রাঙা=অরুনরাঙা
বুকের ন্যায় ধার্মিক = বকধার্মিক
ঘনের ন্যায় শ্যাম = ঘনশ্যাম
মিশের ন্যায় কালো = মিশকালো
গ.উপমিত কর্মধারয়: উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয় তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। এক্ষেত্রে সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে না, তা অনুমান করে নেওয়া হয় । যথা: মুখ চন্দ্রের ন্যায়=মুখচন্দ্র। এখানে, উপমান-চন্দ্র, উপমেয়-মুখ, সাধারণ গুণ উল্লেখ নেই। তাদের মধ্যে সাধারণ গুণ সহজেই অনুমেয়- তা হলো সৌন্দর্য।
পুরুষ সিংহের ন্যায়=পুরুষসিংহ
কথা আমৃতের ন্যায়=কথামৃত
চরণ কমলের ন্যায়=চরণ কমল
অধর পল্লবের ন্যায়=অধরপল্লব
ঘ. রূপক কর্মধারয়: উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হলে , রূপক কর্মধারয় হয়।
ক্রোধ রূপ অনল=ক্রোধানল
মন রূপ মাঝি=মনমাঝি
জীবন রূপ প্রদীপ=জীবন প্রদীপ
ভব রূপ নদী=ভব নদী
চাঁদ রূপ মুখ=চাঁদমুখ
বিষাদ রূপ সিন্ধু=বিষাদসিন্ধু
বিদ্যা রূপ ধন=বিদ্যাধন
পরাণ রূপ পাখি=পরানপাখি
হৃদয় রূপ মন্দির = হৃদয়মন্দির
ফুল রূপ কুমারী = ফুলকুমারী

 

সমাস নিয়ে আলোচনা: পর্ব ০৪

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.নীল যে আকাশ=নীলাকাশ’ কোন সমাস?
-কর্মধারয়
২.নীল যে অম্বর=নীলাম্বর কোন সমাস?
-কর্মধারয়
৩.’মহর্ষি’ কোন সমাস?
-কর্মধারয়
৪.’ক্ষুধিত পাষাণ’ কোন সমাস?
-কর্মধারয়
৫.’কদাচার’ শব্দটি কোন সমাস?
-কর্মধারয়
৬.’সিংহাসন শব্দটি কোন সমাস?
-মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
৭.মধ্যপদলোপী কর্মধারয় এর দৃষ্টান্ত?
-হাসিমাখা মুখ-হাসিমুখ
৮.কোনটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
-পলান্ন
৯.’গোবর গণেষ’ কোন সমাস?
-মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
১০.প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় –
-উপমেয়
১১.’চাদ মুখ’ এর ব্যসবাক্য হলো –
-চাঁদ রূপ মুখ
১২.চাঁদমুখ কোন সমাস?
-রূপক
১৩.’ফুলকুমারী’ শব্দটি কোন সমাস?
-রূপক
১৪.রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোন শব্দটি?
-মনমাঝি

দ্বিগু সমাস
যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে দ্বিগু সমাস বলে। সমাসনিস্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়। কর্মধারয় সমাসে সাধারণত সমাহার শব্দ ব্যসবাক্যে ব্যবহৃত হয়। যথা:
তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল
তিন মাথার সমাহার = তেমাথা
ত্রিপদের সমাহার = ত্রিপদী
ত্রিফলের সমাহার = ত্রিফলা
চৌরাস্তার সমাহার = চৌরাস্তা
শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী
পঞ্চবটের সমাহার = পঞ্চবটী
পঞ্চ নদীর সমাহার = পঞ্চনদ (নদী নয়)

বিভিন্ন প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে?
-দ্বিগু সমাস
২.’শতাব্দী’ কোন সমাস?
-দ্বিগু সমাস
৩.’পঞ্চনদ’ কোন সমাসের উদাহরণ?
-দ্বিগু

সমাস নিয়ে আলোচনা: পর্ব ০৫

বহুব্রীহি সমাস
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায় তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যসবাক্যে ব্যবহৃত হয়। যথা:
বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার=বহু্ব্রীহি
এখানে বহু বা ব্রীহি কোনটিই না বুঝিয়ে যার বহু ধান আছে তাকে বুঝাচ্ছে।
আয়ত লোচন যার = আয়তলোচনা
নীল বসন যার=নীলবসনা
দশ আনন যার=দশানন
সমান উদর যাদের=সহোদর
যুবতী জায়া যার=যুবজানি
বীণা পানিতে যার=বীণাপাণি
মহান আত্মা যার=মহাত্মা
স্থির প্রতিজ্ঞা যার=স্থির প্রতিজ্ঞ
পদ্ম নাভিতে যার=পদ্মনাভ
নদী মাতা যার=নদী মাতৃক
আশীতে বিষ যার=আশীবিষ
প্রকারভেদ: বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার:
ক.সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
খ.ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
গ.ব্যতিহার বহুব্রীহি
ঘ.নঞ বহুব্রীহি
ঙ.মধ্যপদলোপী বহুব্রিহী
চ.প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি
ছ.অলুক বহুব্রীহি
জ.সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি
ব্যতিহার বহুব্রীহি: ক্রিয়ার পারস্পারিক অর্থে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়। এ সমাসে পূর্বপদে ‘আ’ এবং উত্তরপদে ’ই’ যুক্ত হয়। যথা:
লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই=লাঠালাঠি
কানে কানে যে কথা=কানাকানি
একইভাবে, চুলাচুলি, কাড়াকাড়ি, গলাগলি, দেখাদেখি, কোলাকোলি, হাতাহাতি ও হাসাহাসি।
নঞ বহুব্রীহি: না অর্থবোধক অব্যয় যোগ করে বহুব্রীহি সমাস করা হলে তাকে নঞ বহুব্রীহি বলে। যেমন-
ন (নাই) জ্ঞান যার=অজ্ঞান
না (নাই) চারা (উপায়) যার=নাচার
না (নয়) জানা যা = নাজানা/অজানা
নাই ধর্ম যার=অধর্ম
বে (নাই) হেড যার=বেহেড
নি (নাই) ভূল যার=নির্ভূল
নাই তার যার = বেতার
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি: বহুব্রীহি সমাসের ব্যাখার জন্য ব্যবহৃত ব্যাকাংশের কোনো অংশ যদি সমস্ত পদে লোপ পায় তবে তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন:
বিড়ালের চোখের ন্যায় চোখ যে নারীর=বিড়ালচোখী
হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে=হাতেখড়ি
নতুন ধানের অন্ন=নবান্ন
গোঁফে খেজুর পড়িয়া থাকিলেও খায়না যে, সে=গোফ-খেজুরে (আলসে লোক)
এমনি ভাবে=মেনিমুখো, বিড়াল সাক্ষী ইত্যাদি
সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি:
দশ গজ পরিমাণ যার=দশগজি
তে (তিন) পায়া যার=তেপায়া
নিপাতনে সিদ্ধ:
দুদিকে অপ যার = দ্বীপ
অন্তর্গত অপ যার=অন্তরীপ
জীবিত থেকেও যে মৃত=জীবন্মৃত
নরাকারের যে পশু =নরপশু
পন্ডিত হয়েও যে মুর্খ=পন্ডিতমুর্খ

সমাস নিয়ে আলোচনা: পর্ব ৬

বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.’সহোদর কোন সমাস?
-বহুব্রীহি
২.কোন শব্দ বহুব্রীহি সমাসে নিষ্পন্ন?
-বীণাপাণি
৩.’সোনামুখী’ কোন সমাস?
-মদ্যপদলোপী
৪.অধর্ম শব্দের সমস্যমান পদ কোনটি?
-নেই ধর্ম যার
৫.’লাঠালাঠি’ এটি কোন সমাস?
-ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
৬.নিচের কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?
-কানাকানি
৭.কানাকানি শব্দটি কোন সমাস?
-বহুব্রিহী
৮.কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?
-মুখোমুখি
৯.কোনটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
-হাতাহাতি
১০.নিচের সমাসবদ্ধ পদগুলোর মাঝে কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?
-হাতাহাতি
১১.নিচের কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস নয়?
-মুখোমুখি
১২.গোফ-খেজুরে কোন সমাস?
-মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
১৩.কোন শব্দটি বহুব্রীহি সমাসে নিষ্পন্ন?
-দশানন
১৪.আশীবিষ কোন সমাস?
-বহুব্রীহি
১৫.নবান্ন শব্দটি কোন প্রক্রিয়ায় গঠিত?
-সমাস
১৬.অর্ধচন্দ্র কোন সমাস?
-বহুব্রীহি

তৎপুরুষ সমাস
পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। এখানে, পরপদের অর্থ প্রধান ভাবে বোঝায় তবে পূর্বপদের বিভক্তি অনুসারে এদের নামকরণ হয়। যেমন-
বিপদকে আপন্ন=বিপদাপন্ন
এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি ‘কে’ লোপ পেয়েছে বলে এর নাম দ্বিতীয়া তৎপুরুষ।
তৎপুরুষ সমাস নয় প্রকার: দ্বিতীয়া, তৃতীয়া, চতুর্থী, পঞ্চমী, ষষ্ঠী, সপ্তমী, নঞ, উপপদ, অলুক ।

১.দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস: পূর্বপদে কে, রে, ব্যাপিয়া লোপ পেলে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ হয়।
দু:খকে প্রাপ্ত=দু:খপ্রাপ্ত
বইকে পড়া=বইপড়া
২.তৃতীয়া তৎপুরুষ: পূর্বপদে দ্বারা, দিয়ে, কর্তৃক বিভক্তি লোপ পেলে তৃতীয়া তৎপুরূষ হয়।
মন দিয়ে গড়া=মনগড়া
মধু দিয়ে মাখা=মধুমাখা
বিদ্যা দ্বারা হীন=বিদ্যাহীন
এক দ্বারা উন=একোন
জ্ঞান দ্বারা শূণ্য=জ্ঞানশূণ্য
৩.চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস: পূর্বপদে কে, নিমিত্ত, জন্য, লোপ পেলে চতুর্থী তৎপুরুষ হয়।
গুরুকে ভক্তি=গুরুভক্তি
বসতের নিমিত্ত বাড়ি=বসতবাড়ি
বিয়ের জন্য পাগলা=বিয়ে পাগলা
৪.পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস: পূর্বপদে হইতে, থেকে, চেয়ে বিভক্তি লোপ পেলে পঞ্চমী তৎপুরুষ হয়।
ঘর থেকে ছাড়া=ঘরছাড়া
জেল থেকে মুক্তি=জেলমুক্ত
বিলাত থেকে ফেরত=বিলাতফেরত
৫.ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস: পূর্বপদে র, এর বিভক্তি লোপ পেলে ষষ্ঠী তৎপুরুষ হয়।
চায়ের বাগান=চাবাগান
হাঁসের রাজা=রাজহাঁস
পথের রাজা=রাজপথ
পথের অর্ধ=অর্ধপথ
রাজার পুত্র=রাজপুত্র
মাতার সেবা=মাতৃসেবা
৬.সপ্তমী তৎপুরুষ: পূর্বপদে এ, য়, তে বিভক্তি লোপ পেলে সপ্তমী তৎপুরুষ হয়।
গাছে পাকা=গাছপাকা
পূর্বে ভূত=ভূতপূর্ব
পূর্বে অশ্রুত=অশ্রুতপূর্ব
৭.নঞ্ তৎপুরুষ সমাস: না-বাচক নঞ অব্যয় পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
ন আচার=অনাচার
ন অতিদীর্ঘ=নাতিদীর্ঘ
ন কাতর=অকাতর
ন লৌকিক=অলৌকিক
৮.উপপদ তৎপুরুষ সমাস: যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে । কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।
জলে চরে যা=জলচর
জল দেয় যে=জলদ
পঙ্কে জন্মে যা=পঙ্কজ
এরূপ সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, পকেটমার, মাচিমারা, ছারপোকা, ঘরপোকা, বর্ণচোরা, ছাা-পোষা, হরবোলা।
বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.বই পড়া কোন সমাস?
-তৎপুরুষ
২.কোন শব্দটি তৎপুরুষ সমাস?
-মধুমাখা
৩.’হরবোলা’ কোন সমাস?
-উপপদ তৎপুরুষ
৪.কোনটি উপপদ তৎপুরুষের উদাহরণ?
-ছেলেধরা
৫.’কলুর বলদ’ কোন সমাস?
-অলুক তৎপুরুষ

 

সমাস নিয়ে আলোচনা: পর্ব ৭

অব্যয়ীভাব সমাস
পূর্বপদের অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। সামীপ্য, বিপসা (পৌন:পুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
সামীপ্য
কন্ঠের সমীপে=উপকন্ঠ
কূলের সমীপে=উপকূল
বিপসা
দিন দিন = প্রতি দিন
ক্ষণে ক্ষণে = প্রতি ক্ষণে/ অনুক্ষণ
অভাব
হায়ার অভাব=বেহায়া
ভাতের অভাব=হাভাতে
পর্যন্ত
পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক
সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল
সাদৃশ্য
শহরের সদৃশ=উপশহর
গ্রহের তুল্য=উপগ্রহ
অনতিক্রমতা
রীতিকে অতিক্রম না করে=যথারীতি
সাধ্যকে অতিক্রম না করে=যথাসাধ্য
বিরোধ
বিরুদ্ধ বাদ=প্রতিবাদ
বিরুদ্ধকূল=প্রতিকূল
অতিক্রান্ত
বেলাকে অতিক্রান্ত =উদ্বেল
শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত=উচ্ছৃঙ্খল
পশ্চাৎ
পশ্চাৎ গমন=অনুগমন
পশ্চাৎ ধাবন=অনুধাবন
ঈষৎ
ঈষৎ রক্তিম=আরক্তিম
ঈষৎনত=আনত

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.’হাভাতে’ কোন সমাস? (শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীনে সহকারী পরিচালক:০৫/কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদপ্তরের সহকারী পরিদর্শক:০৫)
-অব্যয়ীভাব
২.’বেহায়া’ কোন সমাস? (প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক:০১)
-অব্যয়ীভাব
৩.কোনটি ঈষৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস? (মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা:৯৮)
-আরক্তিম
৪.’উপশহর’ শব্দটি কোন সমাস? (যুব উন্নয়ন পরচালক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক :৯৪)
-অব্যয়ীভাব
৫.’উপকথা’ শব্দটি কোন সমাস? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ঢাকা বিভাগ): ০৯)
-অব্যয়ীভাব
৬.কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ? (তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে তথ্য অফিসার: ০৫)
-প্রতিদিন

অলুক সমাস
যে সমাসে কোনো সমস্যমান পদের বিভক্তি লোপ হয় না তাকে অলুক সমাস বলে। অলুক সমাস কোনো স্বাতন্ত্র্য সমাস নয়, যে কোন শ্রেনীর সমাস অলুক হতে পারে।
অলুক দ্বন্দ্ব:
দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে
জলে ও স্থলে = জলে স্থলে
হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে
দেশে ও বিদেশে = দেশে-বিদেশে
অলুক তৎপুরুষ:
কলুর বলদ=কলুর বলদ
ষষ্ঠী তৎপুরুষ: ঘোড়ার ডিম, মাটির মানুষ, হাতের পাঁচ, মামার বাড়ি, সাপের পা, মনের মানুষ, কলের গান, গরুর গাড়ি, কলুর বলদ ইত্যাদি।
সপ্তমী তৎপুরুষ: গায়ে পড়া, ঘিয়ে ভাজা, তেলে ভাজা, কলে ছাটা ইত্যাদি
অলুক বহুব্রীহি:
গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে= গায়ে হলুদ
হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে=হাতে খড়ি
মাথায় পাগড়ি যার=মাথায় পাগড়ি
গলায় গামছা যার=গলায় গামছা
একইভাবে, হাতেখড়ি, কানে-কলম, গায়ে-পড়া, হাতে-বেড়ি, মাথায়-ছাতা, মুখে-ভাত, কানে-খাটো।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.কোনটি অলুক দন্দ্ব? (প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (খুলনা বিভাগ): ০৯)
-ঘরে-বাইরে
২.নিচের কোনটি অলুক দন্দ্ব সমাস? (যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক: ৯৪)
-যাকে ও তাকে=যাকে তাকে
৩.’তেলে ভাজা কোন সমাস? (প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (খুলনা বিভাগ): ০৯)
-তৎপুরুষ

 

সমাস নিয়ে আলোচনা: পর্ব ০৮

প্রাদি সমাস
যে সমাসে পূর্বপদে তৎসম উপসর্গ থকে তাকে প্রাদি সমাস বলে।
প্র (প্রকৃষ্ট) ভাত=প্রভাত
অতি (অতি বড়) অতিকায়
অনু (পশ্চাত =অনুতাপ
পূর্বপদে উপসর্গ বসে যে সমাস হয় তাকে বলে – (তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা: ৯৭)
-প্রাদি সমাস
নিত্য সমাস
যে সমাসে ব্যসবাক্য হয় না কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে নিত্য সমাস বলে।
দুই এবং নব্বই=বিরানব্বই
কেবল দর্শন=দর্শনমাত্র
বিষাক্ত কাল (যম) তুল্য যে সাপ=কালসাপ
সে তুমি ও আমি = আমরা
অন্য গৃহ=গৃহান্তর
মনে রাখ
ব্যসবাক্যে: এবং, ও, আর থাকলে: দ্বন্দ্ব
যে, যেটি, যিনি, থাকলে: কর্মধারয়
বিভক্তি লোপ পেলে: তৎপুরুষ
সমাহার থাকলে: দ্বিগু
যার, যাতে খাকলে: বহুব্রীহি
বিভক্তি লোপ না পেলে=অলুক
বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.যে সমাসের ব্যসবাক্য হয় না কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় তাকে বলা হয় – (২২তম বিসিএস)
-নিত্য সমাস
২.যে সমাসে পদগুলি নিত্য সীমাবদ্ধ থাকে ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয়না তাকে কোন সমাস বলে? (যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরচালক: ৯৯)
-নিত্য সমাস
৩.কোনটি নিত্য সমাস? (প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক: ১০)
-দেশান্তর
ক্রিয়ার ভাব
ক্রিয়ার ভাব: ক্রিয়ার যে অবস্থা দ্বারা কার্য ঘটিবার ধরণ প্রকার বা রীতি প্রকাশ পায় তাকে ক্রিয়ার ভাব বলে। তিন ধরণের:
ক.নির্দেশক বা অবধারক ভাব
খ.অনির্দেশক বা সংযোজক বা ঘটনান্তরাপেক্ষিত ভাব
গ.অনুজ্ঞা বা আজ্ঞাদ্যোতক ভাব
নির্দেশক ভাব: ক্রিয়ার যে অবস্থা কোন কার্য ঘটিবার সাধারণ নির্দেশ বা ধারণা দেয় তাহাকে ক্রিয়ার নির্দেশক বলে।
সাধারণ ঘটনা নির্দেশে: সে আসে । তারা খায়।
প্রশ্ন জিজ্ঞাসা: তুমি কি ভাল আছ?
অনির্দেশক ভাব: একই বাক্যে এক ক্রিয়ার কাজ আর এক ক্রিয়ার উপর নির্ভরশীল রহিয়াছে এমন ভাব প্রকাশ করিলে ক্রিয়ার অনির্দেশক ভাব বলে।
যদি সে আসে তবে আমি যাইব
আজ বাবা বেচে থাকলে আমার কষ্ট হতো না।
অনুজ্ঞা ভাব: আদেশ, অনুরোধ, প্রার্থনা, অনুনয়, প্রভৃতি অর্থে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ কালে মধ্যম পুরুষ এ ক্রিয়াপদে যে রূপ হয় তাকে অনুজ্ঞা ভাব বলে।
উত্তম পুরুষের অনুজ্ঞা পদ হতে পারে না। কারণ কেউ নিজেকে আদেশ করতে পারে না।

অপ্রত্যক্ষ বলে নাম পুরুষের অনুজ্ঞা হয় না । তবে এই মত সকলে সমর্থন করে না।
বর্তমান কাল অনুজ্ঞা:
আদেশ: কাজটি করে ফেল। তোমরা এখন যাও।
উপদেশ: সত্য গোপন করো না। কড়া রোদে ঘোড়া ফেরা করিস না।
অনুরোধ: আমার কাজটা এখন কর। অঙ্কটা বুঝিয়ে দাও না।
প্রার্থনা: আমার দরখাস্তটা পড়ুন
অভিশাপ: মর, পাপিষ্ঠ
ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা:
আদেশে: সদা সত্য কথা বলবে
সম্ভাবনায়: চেষ্টা কর, সবাই বুঝতে পারবে
বিধান অর্থে: রোগ হলে ঔষধ খাবে।
অনুরোধ: কাল একবার এসো।
বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.কোনটি অনুজ্ঞা? (২১তম বিসিএস)
-তুমি যাও
২.কোন বাক্যটি দ্বারা অনুরোধ বুঝায়? (১৮ তম বিসিএস)
-কাল একবার এসো
৩.’আমার দরখাস্তটা পড়ুন’ বর্তমানের ‘এ’ অনুজ্ঞা দ্বারা কি বুঝায়? (খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্য পরিদর্শক:০০)
-প্রার্থনা
৪.আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার কষ্ট হতো না – বাক্যটি কোন ভাবের ক্রিয়া। (গণযোগাযোগ অধিদপ্তর সহকারী তথ্য অফিসার: ০৫)
-অনির্দেশক ভাব

সংগৃহিত 

আবেদনের শেষ তারিখঃ na

লোকেশনঃ বাংলাদেশ

Source: online